Halima Khatun Girls School
Heads Up! Welcome to Barisal Zilla School
Tuesday, September 26, 2017
Admission Results of Class 3 & 6 (2017). For details Click on the Notice Board. <>
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ স্কুলগুলোর মধ্যে জিলা স্কুল অন্যতম, কিন্তু এ বিদ্যাপীঠটি কখন কিভাবে এবং কার দ্বারা গোড়াপত্তন হয় তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। অথচ এ স্কুলটি যুগ যুগ ধরে গৌরবময় ঐতিহ্য বহন করে আসছে। এ স্কুলের ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে, দেখা যায় তদানীন্তন বরিশাল জেলার জজ ও ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ ডবলিউ, এন গ্যারেট সাহেবের ঐকান্তিক ইচ্ছায় বাকেরগঞ্জে শিক্ষামূলক কাজ শুরু হয়। এ জন্যই মিঃ গ্যারেট সাহেবকেই বরিশাল শিক্ষামূলক কাজের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। মিঃ গ্যারেট বরিশালে জনসাধারণের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহ করে এবং তৎসহ একটি সমিতি গঠন করে পরীক্ষমূলকভাবে শ্রীরামপুর মিশনে তাঁর শিক্ষামূলক ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপায়ন করতে প্রয়াস পান। ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ডিসেম্বর তারিখে মাত্র আটজন ছাত্র নিয়ে বরিশাল ইংরেজী স্কুল আরাম্ভ করা হয় এবং এই ছাত্র সংখ্যা সে বছরে মোট ২৭ জনে দিয়ে দাঁড়ায়। প্রথমত এ স্কুল মিশন কর্তৃক পরিচালিত হয়। এ স্কুলটি তৎকালীন স্থানীয় জমিদার মিঃ লুকাসের (Mr. Lucas) জমির মধ্যে স্থাপিত হয়। এ স্থানটি প্রোটেস্যান্ট গীর্জার (Protestant Church) কিছু পশ্চিমে অবস্থিত। এই স্কুলের প্রথম প্রধান শিক্ষক মিঃ জন স্মিথ (Mr. Smith)। কিন্তু স্মিথ সাহেব বেশিদিন স্কুলের কাজে থাকতে পারেননি। কারণ তিনি স্কুলের কাজে থাকায় মিশনের কাজে অনেক ক্ষতি হচ্ছিল। সে জন্যই তিনি ১৮৩৩ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবর মাসে চলে যান এবং তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন মিঃ সিলভেস্টার বরীরো (Mr. Sulvester Bareiro) । এ সময় স্কুলের যথেষ্ট উন্নতিও হয়েছিল। মিঃ গ্যারেটের শিক্ষা তহবিলে জনসাধারণ যথাসাধ্য সাহায্য করতেন। মিঃ গ্যারেটের বরিশাল হতে বিদায়ের সাথে সাথে শিক্ষার ভার পুণরায় শ্রীরামপুর মিশনের উপর পড়ছিল। ১৮৩৩ খ্রীষ্টাব্দ হতে এই স্কুলের ব্যয়ভার Private management দ্বারা পরিচালিত হত এবং নতুন Private ব্যবস্থাপনায় মিঃ স্মিথ পুনরায় এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন। কিন্তু মিঃ বারীরো শ্রীরামপুর মিশনের সদস্য হিসেবে বরিশাল রয়ে গেলেন। ১৮৪১ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ এপ্রিল মিঃ স্মিথ যশোরে নতুন জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পদ লাভ করে চলে যান এবং মিঃ সিলভেস্টার বারীরো স্মিথের পদ লাভ করেন। কিন্তু নিজেকে সম্পূর্ণ সময়ে মিশনের কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য শিক্ষকতা হতে বিদায় গ্রহণ করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় সে বছরই তিনি মিশনের সাথে সম্পর্ক ছেদ করেন। এরপর তিনি বরিশাল জিলা স্কুলে ১৮৫৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের পদে বহাল থাকেন। ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দ বরিশালের এই ইংরেজী স্কুলের ব্যয়ভার সরকার নিজ হাতে গ্রহণ করেন এবং এরপর হতেই এই স্কুলের নাম হয় ‘বরিশাল জিলা স্কুল’। ১৮৫৩ খ্রিষ্টাব্দ হতে ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এই স্কুলের সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়। এই সময় স্কুলের ছাত্র সংখ্যা প্রায় ৬০০ (ছয়শত) ছিল। ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দের শেষের দিকে বরিশাল শহরের কতিপয় বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন সরকার বাধ্য হয়ে ১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে এই জিলা স্কুলকে বেসরকারী স্কুল বলে ঘোষণা করেন। এই সময়ে তৎকালীন বাংলার গভর্নর স্যার চার্লস ইলিয়ট বরিশাল শহর পরিদর্শন করতে আসেন। তিনি জনসাধারণের সভায় বরিশাল জিলা স্কুলকে বেসরকারী স্কুলে পরিণত করার কথা জানতে পেরে গভীর অনুতাপ প্রকাশ করেন। অবশেষে শায়েস্তাবাদের জমিদার জনাব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন গভর্ণর সাহেবকে জানালেন, যদি বরিশাল জিলা স্কুলের নাম পরিবর্তন করে পূর্ব নামকরণ করা হয় তবে তিনি স্কুলের সকল ব্যয়ভার নিজ হাতে গ্রহণ করতে পারেন। তার এই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকৃত হলো। তারপর জমিদার সাহেব এই স্কুলকে পরিচালনার জন্য মিউনিসিপ্যালিটি এবং জিলা বোর্ড হতে কয়েকজন সদস্য নিয়ে একটি যুক্ত কমিটি গঠন করেন। এই যুক্ত কমিটি স্কুলের ভালমন্দ দেখাশুনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই কমিটির সহ-সভাপতি হিসাবে স্বর্গীয় বাবু দ্বারকানাথ দত্ত মহাশয় এবং মরহুম হেমায়েত উদ্দিন খান বাহাদুর সাহেব বহুদিন পর্যন্ত এই কমিটিতে জড়িত ছিল। এই কমিটি কর্তৃক স্কুলটি পরিচালনকালীন সরকার এই স্কুলে মাসিক ১৭৫/- টাকা হিসেবে সাহায্য দান করত এবং পরে স্কুলের আর্থিক অবস্থা ভাল হওয়ায় এই সাহায্য উঠিয়ে নেয়। ১৯০১ সন স্কুলটির ইতিহাস এক গৌরবময় বৎসর। এ বছর হতে ছাত্রদের মধ্যে যারা স্কুলে পড়ে টেকনিক্যাল স্কুলে হাতের কাজ শিক্ষা করত তাদেরকে ‘বি’ শ্রেণির ছাত্র বলা হত। ১৯০১ সনেই এ স্কুলের ‘বি’ শ্রেণির পড়াবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বৎসর বাকেরগঞ্জ জেলা বোর্ডের টেকনিক্যাল স্কুলটি বোর্ডের সীমানা হতে বর্তমান জিলা স্কুলের সীমানার মধ্যে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ পুনরায় এই স্কুলটিকে সরকারি স্কুলে পরিণত করে দ্বিতীয়বারের জন্য এই স্কুলের নামকরণ করা হয় ‘বরিশাল জিলা স্কুল’। যুক্ত কমিটির সহ-সভাপতি মরহুম মৌলবী হেমায়েত উদ্দিন খান বাহাদুর সাহেব সরকারকে এই সময় ১৬,০০০/- টাকা স্কুলের ফান্ডস্বরূপ বুঝিয়ে দেন। এই টাকার সুদ হতে প্রতি বছর ছাত্রদেরকে ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি (Trust Fund Scholarship) নামে বৃত্তি দেওয়া হত। এই বৃত্তি ভোগকারিগণ সরকারিপ্রাপ্তি বৃত্তির মতই সুযোগ সুবিধা ভোগ করত। এই স্কুলটি পুনরায় ‘বি’ শ্রেণির ছাত্ররা Practical training এর জন্য জেলা বোর্ডের Technical School এর Workshop এ কাজ করতে পারত। পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে মিঃ লুকাস (Mr. Lucas) এর সীমান মধ্যে এবং প্রোটেস্ট্যান্ট গীর্জার (Protestant Charch) পশ্চিমের দিকে স্কুলটি অবস্থিত ছিল। কিন্তু বাংলার গভর্নর বরিশাল পরিদর্শন করার সময় এই স্কুলের স্থানটি অস্বাস্থ্যকর বলে মন্তব্য প্রকাশ করেছিলেন। গভর্নরের নির্দেশমতে তদানীন্তন ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্কুলের সেক্রেটারী মিঃ বার্টন সাহেব সরকারকে বিশেষভাবে তাগিদ দিতে থাকেন এবং তিনি নিজ প্রচেষ্টায় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গের নিকট হতে ৩৮,৮১৭/- টাকা চাঁদা আদায় করে সরকারের হাতে বুঝিয়ে দেন। এর ফলস্বরূপ বর্তমানে বরিশাল জিলা স্কুলের এ বহুল পরিমান জমির উপরে পূর্বের মূল ভবনটি গড়ে উঠেছিল। যা নতুন সংস্করণের জন্য বর্তমানে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় কতিপয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি এই স্কুলের ছাত্রদের লেখাপড়ার উৎসাহের জন্য স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা ও বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফলের উপর ছাত্রদের বিভিন্ন ধরনের মেডেল ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছিলেন। বাবু হরিপ্রসাদ ব্যানার্জী যখন এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক তখন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ১৮৮৬ সালে মধ্য ইংরেজী বৃত্তি লাভ করে এ স্কুলে ভর্তি হন। এ স্কুলে অধ্যায়নকালে তিনি ইংরেজী, বাংলা, ভূগোল, ইতিহাস, গণিত, ফার্সী প্রভূতি সব বিষয়েই সমান কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন। স্কুল ও কলেজের সব ছাত্রদের চেয়ে ফজলুল হক ফার্সী ভাল জানতেন। ১৮৮৯ সালে ফজলুল হক বিভাগীয় বৃত্তি লাভ করে প্রথম বিভাগে এন্ট্রাস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে বাবু দ্বিজেন্দ্র মোহন সেনগুপ্ত যখন স্কুলের প্রধান শিক্ষক তখন এই স্কুল হতে স্কাউট দল বরিশাল হতে খুলনা ও যশোর হয়ে কলকাতা গিয়েছিল। অত্যন্ত খুশির বিষয় এই যে, এই স্কুলের ছেলেরাই বাংলার স্কাউট দলের অগ্রগামী ছিল। বাবু দ্বিজেন্দ্র মোহন সেনগুপ্তের আমলে স্কুলের আর একটি বিশেষ ঘটনা-তদানীন্তন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ জুলাই বরিশাল জিলা স্কুল পরিদর্শন করেন। তিনি স্কুলের শিক্ষকদের কার্যকলাপ এবং কাব স্কাউট ছেলেদের বিভিন্ন কলা কৌশল দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে ৪২ জন ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিল। তন্মাধ্যে ২৫ জন প্রথম বিভাগে, ১২ জন দ্বিতীয় বিভাগে ও বাকী ৫ জন তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন। শ্রীমান অমিয় কুমার দাশগুপ্ত ৬ষ্ঠ স্থান অধিকার করে সিনিয়র গ্রেডে বৃত্তি লাভ করে স্কুলের গৌরব বৃদ্ধি করেছিলেন। এই স্কুলের প্রথম মুসলমান প্রধান শিক্ষক হচ্ছে খান সাহেব মৌলবী সিরাজউদ্দিন আহমেদ। তিনি ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে এই স্কুলে আগমন করেন। ঐ বছরই বাংলার প্রধানমন্ত্রী খান বাহাদুর মৌলবী আজিজুল হক ১৪ জুলাই এ স্কুল পরিদর্শন করেন। ঠিক তার আট দশ দিন পরে ২৩ জুলাই বাংলার সহকারী ডি.পি.আই. মিঃ এ.কে.চন্দ্র.এম.এ. (অক্সফোর্ড) আই.ই.এস.এ স্কুল পরিদর্শন করেন। তিনি স্কুল পরিদর্শন করে খুব খুশী হন। ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে খান সাহেব প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন ৬ আগস্ট তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক সাহেব এই স্কুলে পদার্পণ করেন এবং সেদিনই শিক্ষক ও ছাত্রদিগকে লক্ষ্য করে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আজ আমার জীবন ধন্য”। আজ আমরা স্কুলের সামনে ছোট ছাত্রদের খেলার যে মাঠটি দেখি এবং পরেশ সাগরের ধারে বড়দের খেলার যে মাঠটি দেখি তাও কিন্তু এ.কে. ফজলুল হক সাহেবেরই অবদান। ১৯৩৯ সনের ৬ আগস্ট হতে এ মাঠ দুটি জিলা স্কুলের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। এরপর হতেই জিলা স্কুলের সর্বাঙ্গীন উন্নতির জন্য কর্তৃপক্ষ বিশেষভাবে দৃষ্টি দেন। স্কুলের উন্নতিকল্পে লাইব্রেরির পুস্তক সংখ্যা বৃদ্ধি, খেলাধুলার প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি, স্কুলের স্কাউট ও কাবদের নিয়মিত ট্রেনিং প্রদান এবং জুনিয়র রেডিক্রসেন্ট সোসাইটির উন্নতি বিধানের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়। ১৯৫৮ সনের আগস্ট মাসে সরকার এই স্কুলের জন্য ফিল্ম প্রোজেক্টর মেশিন দান করেন। এর সঙ্গে ১২ খানা শিক্ষামূলক ফিল্মও দেন, মেশিন চালাবার জন্য একজন বি.এস-সি শিক্ষক ও ট্রেনিংপ্রাপ্ত হন। পাইলট স্কুলঃ ১৯৬০ সন হতে এই স্কুলকে পাইলট স্কুলে পরিণত করার কাজ শুরু হয়। এ উদ্দেশ্যে আমেরিকান বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে এর নানাবিধ পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সম্প্রসারণের ব্যবস্থা হয়েছিল। ১৯৬১ সন হতে এই বরিশাল জিলা স্কুলকে পাইলট স্কুলে পরিণত করা হয়। তদানুযায়ী এখানে নতুন শিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। এ উপলক্ষে স্কুলের প্রায় সকল শিক্ষকই ঢাকা শিক্ষা সম্প্রসারণ কেন্দ্রে বিভিন্ন বিষয়ে ট্রেনিংপ্রাপ্ত হন। শিক্ষা সম্প্রসারণ কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট পাইলট পরিকল্পনার উপদেষ্টা মিঃ এলান পেশিকন (Mr. Elan Peskin) ৩.৬.৬০ তারিখ হতে ১৭.৬.৬০ তারিখ পর্যন্ত এখানে অবস্থান করে স্কুলের শিক্ষা পদ্ধতির সংস্কারমূলক পরিবর্তনের ব্যবস্থা করেন। ১৯৬২ সন হতে এ স্কুলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল আর্টস ক্লাস শুরু হয় এবং সায়েন্স ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়। বিজ্ঞান শিক্ষার পদ্ধতিকে সহজতর করার জন্য ঢাকা এক্সটেনশন কেন্দ্র হতে আমেরিকান শিক্ষক মিঃ সি.সিলি দু’বছরের জন্য এই স্কুলে যোগদান করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত আগ্রহচিত্তে অত্র স্কুলের ছাত্রদিগকে বিজ্ঞান শিক্ষা দান করেছিলেন। সবুজপাতার নামকরণঃ স্কুল প্রতিষ্ঠার পর হতে এই স্কুলে যতগুলো ম্যাগাজিন বের হয়েছে সবগুলোই ‘বরিশাল জিলা স্কুল ম্যাগাজিন’ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৫৭ সন হতে নাম পরিবর্তন করে ‘সবুজপাতা’ নাম রাখা হয়েছে। ১৯৬৫ সন এবং ১৯৬৮ সন দু’বার স্কুল কলেজের মধ্যে এ ‘সবুজপাতা’ জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এই নিবন্ধ শেষ করার পূর্বে পরম করুনাময়ের নিকট আমার একমাত্র প্রার্থনা, জাতির ভবিষ্যত নাগরিকদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিধানকল্পে শিক্ষা নিকেতন যে গৌরবময় ঐহিত্য বহন করে আসছে তা যেন চিরদিন অটুট থাকে। আমিন !